সংক্ষেপে • Quick Answer
অফিস চেয়ারের বেইজ, চাকা, গ্যাস লিফট, মেকানিজম, মেশ ও ফোম আলাদা আলাদা পার্টস, তাই একটা নষ্ট হলে সাধারণত শুধু সেটাই বদলানো যায়। চেয়ারের মূল ফ্রেম মজবুত থাকলে রিপেয়ার প্রায় সবসময় লাভজনক; বসার পর চেয়ার নেমে গেলে সমস্যা সাধারণত গ্যাস লিফটে। ফ্রেম ফেটে বা ভেঙে গেলে ছবি দেখিয়ে পরামর্শ নিন।

অফিস চেয়ার খুব কঠিন পরিশ্রম করে: দিনে ৮-১০ ঘণ্টা ওজন বহন, বারবার ঘোরা আর ওঠানামা। তাই কোনো একটা অংশ নষ্ট হওয়া স্বাভাবিক। প্রশ্ন হলো, পুরো চেয়ার বদলাবেন নাকি শুধু নষ্ট অংশটা? নিচের ৫টি বিষয় দেখলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।
অফিস চেয়ারের বেশিরভাগ সমস্যা হয় কয়েকটা নির্দিষ্ট অংশে: বেইজ (Base), চাকা (Caster), গ্যাস লিফট, মেকানিজম, মেশ আর ফোম। এগুলো আলাদা পার্টস, একটা নষ্ট হলে সাধারণত শুধু সেটাই বদলানো যায়।
চেয়ারের মূল শেল বা ফ্রেম মজবুত থাকলে রিপেয়ার প্রায় সবসময় লাভজনক। ফ্রেম ফেটে গেলে বা ভেঙে গেলে ছবি দেখিয়ে পরামর্শ নিন।
বসার পর ধীরে ধীরে চেয়ার নিচে নেমে গেলে সমস্যাটা সাধারণত গ্যাস লিফটে। এটা একটা আলাদা পার্টস, বদলালেই চেয়ার আবার ঠিকঠাক কাজ করে।
বেইজ বা গ্যাস লিফট বদলানোর সময় চেয়ারের মডেল আর ওজন ধারণক্ষমতা মিলিয়ে পার্টস নেওয়া জরুরি। ভুল মাপের পার্টস লাগালে চেয়ার নড়বড়ে হতে পারে। Furniture Doctor-এ আমরা মেটাল ও নাইলন, দুই ধরনের বেইজ দিয়ে এই মিলিয়ে কাজ করি।
একটা ভালো মানের নতুন চেয়ারের দামের সাথে শুধু নষ্ট অংশ বদলানোর খরচ তুলনা করুন। অফিসে একসাথে কয়েকটা চেয়ার হলে পার্থক্যটা আরও বড় হয়।
ছোট টিপস: চেয়ারের নিচের দিকের (বেইজ ও মেকানিজম) একটা পরিষ্কার ছবি তুলে রাখুন। রিপেয়ারের সময় এই ছবি দেখেই সঠিক পার্টস বেছে নেওয়া যায়।
চেয়ার নিয়ে দ্বিধায় থাকলে ছবি পাঠান, আমরা দেখে বলে দেব রিপেয়ার করা ভালো হবে কিনা।
Furniture-এর একটা ছবি পাঠান। আমাদের এক্সপার্টরা দেখে সমাধান ও খরচ জানিয়ে দেবে।